# জেলায় ১৮ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ১৫,০৫৪ জন
# ১ পদে ১২২ প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহীন মিয়া চৌধুরী। জেলায় ১৮ কেন্দ্রে এবার ১২৩টি শূন্য পদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন ১৫০৫৪ জন প্রার্থী। আবেদন অনুযায়ী জেলায় ১ পদের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন ১২২ জন প্রার্থী। সরকারী চাকুরি যে সোনার হরিণ তা আবেদনকারীর সংখ্যা দেখলে সহজে ধারনা যায়।গত ২ জানুয়ারি যদিও উক্ত লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারনে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা হওয়ায় ফলে পরীক্ষা পিছিয়ে দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেড় ঘন্টার এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৯০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে যার পূর্ণমান ৯০ বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহীন মিয়া চৌধুরী জানান- ৯ জানুয়ারি জেলার ১৮ টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা চলবে বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত। দেড় ঘন্টাযব্যাপী এই পরীক্ষায় জেলায় অংশ নিচ্ছে ১৫০৫৪ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, একজন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা, ১জন মহিলা পুলিশ নারী পরীক্ষার্থীদের চেকআপ এর দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলায় কেন্দ্রওয়ারী প্রার্থীর সংখ্যা হল বায়তুশ শরফ জব্বারী একাডেমি (কেন্দ্র এক) পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০০০ জন, বায়তুশ শরফ জব্বারীয়া একাডেমী (কেন্দ্র দুই) পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২৮ জন, কক্সবাজার সিটি কলেজের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮৯০ জন, কক্সবাজার সরকারি কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০৩০ জন, কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬৮৩ জন, কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে ৫৬০ জন, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০০ জন, কক্সবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৫৫০ জন, কক্সবাজার হাশেমীয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৭২২ জন, কক্সবাজার মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ৯৩০ জন, কক্সবাজার পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট কেন্দ্রে ৯৬৫ জন, কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬০০ জন, কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৭৪০ জন, খুরুস্কুল হাইস্কুল কেন্দ্রে ৯৬৫ জন, কক্সবাজার পৌর প্রিপ্যারাটরী উচ্চ বিদ্যালয় ৫৫৮ জন, কক্সবাজার পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪০ জন, সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৪৬ জন, দক্ষিণ খুরুস্কুল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ৫৯০ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাযায়, প্রার্থীদের আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে যথাসময়ে ০১৫৫২-১৪৬০৫৬ নম্বর হতে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের এসএমএস প্রেরণ করা হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদেরকে অবশ্যই ডাউনলোডকৃত প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (মূল এনআইডি/স্মার্টকার্ড) সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শীট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, কোন বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোন কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, ভ্যানিটি ব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি বা ঘড়িজাতীয় বস্তু, ইলেকট্রনিক হাতঘড়ি বা যে কোন ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কমিউনিকেটিভ ডিভাইস বা এজাতীয় বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করা বা সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরা হয়েছে। যদি কোন পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তবে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অসাধু ব্যক্তির যে কোন প্রতারণা থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো : শাহীন মিয়া চৌধুরী।
